- শিক্ষা সংবাদ
- টিপস অ্যান্ড ট্রিকস
- ভর্তি সংবাদ
- শিক্ষা বৃত্তি সংবাদ
উচ্চাকাঙ্ক্ষী শিক্ষানীতির ব্যয় ৬৮ হাজার কোটি টাকা
সদ্য প্রণীত জাতীয় শিক্ষানীতির প্রধান অন্তরায় কী—জবাবে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান নিশ্চিত করা। আর এটা সম্ভব না হলে আগের আটটির মতো এই প্রতিবেদনও ধামাচাপা পড়ে যাবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত ছয় কেন্দ্রকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের আহবান
জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির সাথে ইউজিসি’র বৈঠক
ছয় কেন্দ্রকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের আহবান
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত কলেজগুলোকে ৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাগ করে দেয়ার পরিবর্তে কয়েকটি আঞ্চলিক কেন্দ্রের অধীনে রেখে পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারিকে এসব অঞ্চলে ভাগ করে দিতে হবে। সরকারের সার্বিক সহায়তায় এই ৬টি কেন্দ্রকে পর্যায়ক্রমে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করতে হবে। সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির সাথে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোঃ নজরুল ইসলাম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে কমিশনে এ মত তুলে ধরেন।
শিক্ষানীতির সূত্রে দুটি প্রসঙ্গএকটি জাতীয় শিক্ষানীতির অভাবের কথা বহুকাল ধরেই বলাবলি হচ্ছে। কিন্তু মূলত রাজনৈতিক মতাদর্শগত বিভাজনের কারণে এ অভাব দূর করা সম্ভব হয়নি। স্বাধীনতার পর থেকেই শিক্ষানীতি প্রণয়নের চেষ্টা চলছে এবং বারবার নীতি প্রণীত হলেও কোনোটিই বাস্তবায়ন করা যায়নি। এভাবে আটটি প্রতিবেদন হিমাগারে জমা রয়েছে। একটু অতীত ঘাঁটলে দেখা যাবে, পাকিস্তান আমলেও শিক্ষানীতি নিয়ে এমন ব্যর্থ প্রয়াসের সংখ্যা কম ছিল না। ইংল্যান্ডে পড়তে যান জেনে-শুনেইংল্যান্ডে পড়তে যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বহু বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। শিক্ষাসংক্রান্ত ভিসার একটি শিথিল আইনের সুবাদে দলে দলে শিক্ষার্থীরা যাচ্ছে লন্ডনে। আর এদের বেশির ভাগই লন্ডনে এসে চরম দুর্দশা আর হতাশার মুখোমুখি হচ্ছে। এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে ইংল্যান্ড থেকে লিখেছেন সোয়েব উদ্দিন কবীর মাধ্যমিক শিক্ষাস্তর হবে তিন ধারায় সাধারণ মাদ্রাসা ও বৃত্তিমূলকমাধ্যমিক শিক্ষাস্তর হবে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত। দ্বাদশ শ্রেণী শেষে মাধ্যমিক পরীক্ষা হবে। মাধ্যমিক শিক্ষাস্তর হবে তিন ধারায় সাধারণ, মাদ্রাসা ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা। দশম শ্রেণী শেষে সমাপনী পরীক্ষা উপজেলা-পৌরসভা-থানা পর্যায়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি দেয়া হবে। শিক্ষানীতি খসড়ায় দেশের মাধ্যমিক শিক্ষাস্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে এ সুপারিশ করেছে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটি। |
জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে কিছু কথাএ যাবত্ আমাদের দেশে ছয়টি শিক্ষা কমিশন/কমিটি গঠিত হলেও কোনো শিক্ষানীতিই যে কার্যকর হয়নি তা থেকে বলা যায় যে শিক্ষা কোনো আমলেই আমাদের দেশে অগ্রাধিকার পায়নি। ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড’ কথাটি আমাদের নীতিনির্ধারকেরা কখনো বিশ্বাস করে না। কখনো কমিটি হয়েছে, কালক্ষেপণ হয়েছে কিন্তু নীতি হয়নি, কখনো নীতি হয়েছে কিন্তু তা কার্যকর হয়নি। এবার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এই বৃত্ত থেকে বের হয়ে আসার। ইউজিসি’র নাম ‘উচ্চশিক্ষা কমিশন’ করার প্রস্তাবইউজিসি’র নাম ‘উচ্চশিক্ষা কমিশন’ করার প্রস্তাব বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন-ইউজিসি) নাম পাল্টে ‘উচ্চশিক্ষা কমিশন’ করার জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব গেছে। প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে লিখিতভাবে কমিশনের পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব করা হয়েছে। একই প্রস্তাব জাতীয় শিক্ষানীতিতে সন্নিবেশিত করতে নীতি প্রণয়ন কমিটিকেও দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিশৃঙ্খল অবস্থা থেকে বের করে এনে দেশে মানসম্মত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে ৫০টি প্রস্তাব সংবলিত ১৮ পৃষ্ঠার একটি সুপারিশমালা প্রণয়ন করেছে ইউজিসি। এ সুপারিশমালাও শিগগিরই সরকারকে দেওয়া হবে। ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন। ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের প্রাইভেট এইচএসসি পরীক্ষার তথ্যঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আওতাভুক্ত নিচের ২৩ কলেজ থেকে প্রাইভেট এসএসসি পরীক্ষার তালিকাভুক্তি করা যাবে। ২০১০ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণেচ্ছু প্রাইভেট পরীক্ষার্থীদের নিচের কলেজের অধ্যক্ষের কাছে ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রয়োজনীয় ফি এবং অন্য কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে। যেসব পরীক্ষার্থী ১৯৯৫ সালের আগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের মূল নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃক সত্যায়িত করতে হবে এবং মূল নম্বরপত্রের অপর পৃষ্ঠায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃক Verified and Found Correct লেখা থাকতে হবে। যেসব পরীক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং উন্নুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসএসসি সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তাদের মূল নম্বরপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃক সত্যায়িত করতে হবে এবং মূল নম্বরপত্রের অপর পৃষ্ঠায় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃক Verified and Found Correct লেখা থাকতে হবে। |
<< Start < Prev 1 2 3 Next > End >>
Page 1 of 3